বর্তমানে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পর্কে ব্যাপকহারে আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে।
প্রকৃত বাঙ্গালী অবশ্যই এদের বিচার আশা করবে, এটাই স্বাভাবিক। তেমনিভাবে
আমিও করি।এখনও জানিনা প্রকৃত বাঙ্গালী হতে পেরেছি কিনা। কিন্তু কথা হল,
যাদের জন্য এই বিচার তারা কি শুধুই এর বিচারের দাবীতে যুদ্ধ করে নিজেদের
প্রাণ অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছেন?
তারা চেয়েছেন, এই দেশটি হবে শান্তির দেশ। যাতে থাকবে না কোনো ধর্ম বৈশম্য, থাকবে না অত্যাচার অথবা নিপীড়ন। কিন্তু আজ যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে এত এত মাতামাতি করছে, তারা কি একটিবার ভেবে দেখেছে, তারাই সবচেয়ে বড় অপরাধ করছে। তারা একজন মানুষকে জোর করে মহত্ বানানোর প্রয়াসে, সমস্ত বাঙ্গালী জাতিকে ধ্বংশের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। আর আরেকদল নিজের অকর্মা পুত্রদের বাচানোর জন্য কেড়ে নিচ্ছে গরীব দুঃখীদের মুখের খাদ্য। লাগাতার হরতাল, ধর্মঘট দিয়ে জনজীবন করে তুলছে অতীষ্ঠ।
আমার ক্ষমতা থাকলে সবার আগে এদের বিচার করার সিদ্ধান্ত নিতাম।
আহারে আমার বিশ্বনেত্রীরা, একজন নোবেলের চিন্তায় বিভোর, আরেকজন ক্ষমতার লোভে ক্ষিপ্র জানোয়ার।
বাংলায় ভাষণ দিলেই দেশ প্রেম প্রদর্শিত হয় না। এর জন্য প্রয়োজন দেশের যথাযত উন্নতি। মানুষের প্রতি ভালবাসা এবং আত্মত্যাগী।
এরা নিজেদের ভোগ বিলাশের কথা চিন্তা করে, কিন্তু যারা তাদের এই অবস্থানে এনে তুলেছে তাদের কথা একটিবারও চিন্তা করে দেখে না।
লোডশেডিং এর যন্ত্রণায় মানুষ হাহাকার করে মরছে, আর তারা এসির বাতাসে শরীর মন সতেজ করায় ব্যস্ত। মোটা চাল কিনে খাওয়ার সাধ্যও নেই অনেকের, আর তারা সরকারী টাকায় প্রতিনিয়ত পোলাও ভাত খেয়ে ফুর্তি করছে।
একজনের পিছে আরেকজন লেগেই রয়েছে। কেন এত হিংসা? কী দরকার এসব করার? আপনারা কি পারেন না, একে অপরকে সাহায্য করতে? নির্বাচনে হারজিত থাকবেই, তাই বলে কি আপনারা মেনে নিতে পারেন না এই বিজয়কে? এবং মেনে নিয়ে দেশের কল্যাণে মিলেমিশে কাজ করতে?
তারা চেয়েছেন, এই দেশটি হবে শান্তির দেশ। যাতে থাকবে না কোনো ধর্ম বৈশম্য, থাকবে না অত্যাচার অথবা নিপীড়ন। কিন্তু আজ যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে এত এত মাতামাতি করছে, তারা কি একটিবার ভেবে দেখেছে, তারাই সবচেয়ে বড় অপরাধ করছে। তারা একজন মানুষকে জোর করে মহত্ বানানোর প্রয়াসে, সমস্ত বাঙ্গালী জাতিকে ধ্বংশের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। আর আরেকদল নিজের অকর্মা পুত্রদের বাচানোর জন্য কেড়ে নিচ্ছে গরীব দুঃখীদের মুখের খাদ্য। লাগাতার হরতাল, ধর্মঘট দিয়ে জনজীবন করে তুলছে অতীষ্ঠ।
আমার ক্ষমতা থাকলে সবার আগে এদের বিচার করার সিদ্ধান্ত নিতাম।
আহারে আমার বিশ্বনেত্রীরা, একজন নোবেলের চিন্তায় বিভোর, আরেকজন ক্ষমতার লোভে ক্ষিপ্র জানোয়ার।
বাংলায় ভাষণ দিলেই দেশ প্রেম প্রদর্শিত হয় না। এর জন্য প্রয়োজন দেশের যথাযত উন্নতি। মানুষের প্রতি ভালবাসা এবং আত্মত্যাগী।
এরা নিজেদের ভোগ বিলাশের কথা চিন্তা করে, কিন্তু যারা তাদের এই অবস্থানে এনে তুলেছে তাদের কথা একটিবারও চিন্তা করে দেখে না।
লোডশেডিং এর যন্ত্রণায় মানুষ হাহাকার করে মরছে, আর তারা এসির বাতাসে শরীর মন সতেজ করায় ব্যস্ত। মোটা চাল কিনে খাওয়ার সাধ্যও নেই অনেকের, আর তারা সরকারী টাকায় প্রতিনিয়ত পোলাও ভাত খেয়ে ফুর্তি করছে।
একজনের পিছে আরেকজন লেগেই রয়েছে। কেন এত হিংসা? কী দরকার এসব করার? আপনারা কি পারেন না, একে অপরকে সাহায্য করতে? নির্বাচনে হারজিত থাকবেই, তাই বলে কি আপনারা মেনে নিতে পারেন না এই বিজয়কে? এবং মেনে নিয়ে দেশের কল্যাণে মিলেমিশে কাজ করতে?
Comments
Post a Comment